-শাহরিয়ার আহমেদ আশিক
শুভ্রতার পবিত্র প্রহরে ফুটে উঠা নিষ্পাপ ফুলের ন্যায়,
সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের প্রণয়।
চলছিল
সমুদ্রের জোয়ার-ভাটার ন্যায়,
রাখালের একাগ্রতা চিত্তে ছুটে চলা মাঠের ন্যায়,
বাতাসে ভেসে যাওয়া মাঝির অবাধ ভাটিয়ালী সুরের ন্যায়,
মোহনীয় লক্ষ্যে ছুটে চলা দৌড়বিদের ন্যায়,
অন্ধকারে ছুটে চলা আলোর ন্যায়,
বয়ে চলা অবাধ ঝর্ণার ন্যায়।
গাঁথা হয়েছিল পরম যত্নে নানা স্বপ্নগাঁথা,
কতনা স্বপ্ন,কতনা ওয়াদা!
আজো কি গেঁথে চলেছো নানান ফুল,
নাকি ছিঁড়ে ফেলেছো সে মালা?
নাকি ব্যস্ত হয়ে পড়েছো নতুন মালা গাঁথায়।
এমন মালা জীবনে কবার গাঁথা গায়?
যে মালা পৃথিবীপৃষ্ঠের বাইরে তো নাই!
সময়ের হতাশা আর অনিশ্চয়তা নামক ঘুন
ঠুকরে ঠুকরে খেয়েছে অমূল্য ভালোবাসা।
হতাশা কিংবা বিলাসিতার মোহতা,
নতুবা নাম না জানা বিন্দু পরিমাণ হেতুতে,
পরিপূর্ণতা পায় কি ভালোবাসা?
তবে কি তুমি
ভালোবাসতে জানো?
নাকি পুরোটাই অভিনয়,
যার সমাপ্তি হবে ইহলোগ ত্যাগের সময়।
তবু থেমে নেই আকাশের বুক ফাটা গর্জন,
পাখির সমধুর কন্ঠে গান,
রাতের শহরের ক্লান্তিহীন বাতাস,
থেমে নেই জীবন।
হয়তো এ জীবন কখনো হয়ে উঠে
আপন স্রোতে কাল বৈশাখের ঝড়,
কখনো দুপুরের কড়া রোদ্রে উষ্ণ বাতাসের দহন,
কখনোবা সমুদ্রের গভীর গর্জন।
না থেকেও আছো তুমি সমস্ত জুড়ে
আছো তুমি বৃষ্টিতে ছাতা হাতে চলায়,
আছো তুমি ফুসকার কড়া ঝালে,
আছো তুমি মোগলাই কিংবা সমুচার কামড়ে,
আছো তুমি নানা অভিযোগে শাসনের রূপরেখায়,
আছো তুমি বৃক্ষের প্রতি পরম যতনে,
আছো তুমি অন্তর জুড়ে।
প্রণয়ের প্রণয়িনী থাকুক পরম যত্নে,
আদরে-আপ্যায়নে,
আপন পরিকল্পনায়।

Comments
Post a Comment